
ইতিমধ্যেই প্রথম দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৯ তারিখে রয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোট। এই প্রেক্ষিতে একটি ভিডিও শেয়ার করা হচ্ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে রাস্তায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক বুথ এজেন্টকে এক পুলিশকর্মী চড় মারছেন এবং সেটিকে চলমান বিধানসভা নির্বাচনের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।
পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে,”শাসকের চোর জোচ্চর চেলা চামুণ্ডারা এবার দারুণ সংকটে! এতদিন বাংলাকে নরক করে তোলার পর,এখন জুটছে সপাটে চড়- আর মার!।“
তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি ভিডিওটি চলমান বিধানসভা নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত নয়। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ের ভিডিওকে চলমান বিধানসভা নির্বাচনের সাথে জুড়ে শেয়ার করা হচ্ছে।
তথ্য যাচাইঃ
এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে ভিডিওর কিও ফ্রেমগুলোকে গুগলে রিভার্স ইমেজ সার্চ করি। ফলস্বরুপ, একই ভিডিও canning news’-এর ফেসবুক পেজে পাওয়া যায়। ৯ জুলাই,২০২৩ তারিখের এই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে,”ভোটের দিন ক্যানিং এর বাসন্তীর অবস্থা দেখুন।“
নিউজ১৮ বাংলার সংবাদ উপস্থাপনে লেখা হয়েছে- গতকাল রাতে বাসন্তীতে বোমাবাজির অভিযোগ। ভোটের দিন সকালে রাস্তার পাশে উদ্ধার বোমা। এলাকায় আতঙ্ক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসরে পুলিশ। জটলা দেখলেই পদক্ষেপ। কখনও লাঠি উচিয়ে তাড়া। মারধর করতেও দেখা গেল উর্দিধারীদের।
অর্থাৎ, ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাসন্তীতে বোমা উদ্ধার হওয়া নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ মোতায়েন এবং বল প্রয়োগ করতে হয়েছিল।
নিষ্কর্ষঃ তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ফ্যাক্ট ক্রিসেণ্ডো এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী এলাকায় বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন ও বলপ্রয়োগের ঘটনাকে দেখানো পুরনো ভিডিওটি বর্তমানে চলমান বিধানসভা নির্বাচনের ঘটনা বলে ভুয়ো দাবি সহ শেয়ার করা হচ্ছে।

