
বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ফালতা বিধানসভার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুনর্ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২১ মে ওই কেন্দ্রগুলিতে ফের ভোটগ্রহণ হবে। এই আবহে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে ক্যানিং পুলিশের তৎপরতায় ফালতা কেন্দ্রের ‘পুষ্পা’ নামে পরিচিত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানকে বাংলাদেশে পালানোর সময় গ্রেফতার করা হয়েছে।
পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে,”ব্রেকিং নিউজ : তৃণমূল তেনা জাহাঙ্গীর খান ক্যানিং থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার। বাংলাদেশ পালানোর সময় ম্যাঁও ম্যাঁও পুষ্পাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে সিংগম অজয় পাল শর্মার হেফজতে রয়েছে। বিস্তারিত পরে আসছে….।“
তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি জাহাঙ্গীর খানের গ্রেফতার হওয়ার দাবিটি মিথ্যা।

তথ্য যাচাইঃ
এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে আমরা প্রথমে গুগলে প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড সার্চ করি। তবে কোনো সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়নি। জাহাঙ্গীর খানের মতো প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেফতার করা হলে তা অবশ্যই সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হত এবং একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ পেত। কিন্তু এমন কোনো খবরের অনুপস্থিতি থেকেই বোঝা যায় যে ভাইরাল দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
এরপর আমরা ক্যানিং থানার সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং থানার আইসি অমিত হাতির সঙ্গে কথা বলি। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে ভাইরাল দাবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।
ফলতা থানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেখান থেকেও জানানো হয় যে, জাহাঙ্গীর খানের গ্রেফতারের নামে ভাইরাল হওয়া দাবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো ও ভিত্তিহীন।
নিষ্কর্ষঃ তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ফ্যাক্ট ক্রিসেণ্ডো এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, বাংলাদেশ পালানোর সময় ফলতার তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের গ্রেফতার হওয়ার দাবিটি ভুয়ো ও ভিত্তিহীন।

