
২৪ জুনে ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভেনেজুয়েলা। ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ইয়ারাকুই অঙ্গরাজ্যের কাছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজারো মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে একটি ভবন ভেঙ্গে পড়ার দৃশ্যকে ভেনেজুয়েলা ভুমিকম্পের সাথে জুড়ে শেয়ার করা হচ্ছে।
পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে,”মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের মধ্যে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রায় পর পর দুটো ভূমিকম্প ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত।“
তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি ভাইরাল দাবিটি ভুয়ো। এটি সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলা ভুমিকম্পের ভিডিও নয়। বরং ২০২৩ সালের তুরস্কের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার পুরোনো ভিডিও।
তথ্য যাচাইঃ
এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে ভিডিওর কি ফ্রেমগুলোকে গুগলে রিভার্স ইমেজ সার্চ করি। ফলে, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, তারিখের নিউ ইয়র্ক পস্ত-এর প্রতিবেদনের শিরনামে লেখা হয়েহে,”তুরস্কে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার হৃদয়বিদারক ভিডিও; মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩,৪০০।“

| প্রতিবেদন | আর্কাইভ |
রইটার্স-এর ভিডিও উপস্থাপনেও এটিকে ২০৯২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তুরস্কের ভুমিকম্পের দৃশ্য বলে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চল এবং সিরিয়ার উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ৭.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল তুরস্কের গাজিয়ানতেপ শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে। এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে এবং দশ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হন।
নিষ্কর্ষঃ তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ফ্যাক্ট ক্রিসেণ্ডো এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, ভিডিওটি ভেনেজুয়েলার নয়। এটি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তুরস্কে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার দৃশ্য।

